কাজ হারিয়ে ওমানে আটকে পড়ে যাওয়া ১১ জন বাঙালি শ্রমিকের পাশে দাঁড়ালেন সাহেব খান।

9th September 2025 11:14 pm দেশ ও বিদেশ
কাজ হারিয়ে ওমানে আটকে পড়ে যাওয়া ১১ জন বাঙালি শ্রমিকের পাশে দাঁড়ালেন সাহেব খান।


বঙ্গ বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক :দুদিন আগে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যাপক ভাইরাল হয়েছিল ১১ জন শ্রমিক ওমানে কাজ করতে গিয়ে আটক হয়ে পড়ে রয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়া মারফত তাদের যোগাযোগ নম্বর সংগ্রহ বেশ কয়েকজন পরে ওমানে কর্মরত কান্দির বাসিন্দা সাহেব খানের সাথে যোগাযোগ করেন তারা, সাহেব খান ওমানে একটি কোম্পানিতে কর্মরত। তিনি এই বিষয়টি জানার পর স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে আসেন কাজ হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়া বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকদের কাছে। 

সাহেব খান জানিয়েছেন মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের কর্তব্য। তাই সাধ্যমত যতোটুকু চেষ্টা করেছি বা পেরেছি তাদের জন্য খাদ্য সামগ্রী নিয়ে তাদের মুখে একটু হলেও হাসি ফোটাতে পেরে আমার ভালো লাগছে। পাশাপাশি এটাও জানিয়েছেন এখনো পর্যন্ত তারা তাদের পাসপোর্ট হাতে পায়নি, যে কারণে তারা বাড়ি আসতে পারছেন না।





Others News

মায়া: বিশ্বের প্রথম জীবন্ত-সদৃশ মানবাকৃতি রোবট

মায়া: বিশ্বের প্রথম জীবন্ত-সদৃশ মানবাকৃতি রোবট


মায়া: বিশ্বের প্রথম জীবন্ত-সদৃশ মানবাকৃতি রোবট

চীনে সম্প্রতি উন্মোচিত হয়েছে মায়া, একটি মানবাকৃতি রোবট যা মানুষের মতো হাঁটে, চোখ টিপে হাসে এবং সূক্ষ্ম অভিব্যক্তি প্রকাশ করতে পারে। সাংহাই-ভিত্তিক কোম্পানি DroidUp এটি তৈরি করেছে এবং একে বলা হচ্ছে বিশ্বের প্রথম সম্পূর্ণ বায়োমিমেটিক embodied intelligent robot।

🔹 মানব-সদৃশ নকশা

  • উচ্চতা: ১.৬৫ মিটার | ওজন: ৩২ কেজি
  • উন্নত Walker 3 chassis-এর উপর নির্মিত
  • হালকা lattice “muscles” এবং কাস্টমাইজযোগ্য বাহ্যিক রূপ
  • শরীরের তাপমাত্রা ৩২–৩৬°C বজায় রাখতে সক্ষম
  • সূক্ষ্ম মুখাবয়বের অভিব্যক্তি যেমন হাসি, চোখ টেপা, মাথা নাড়া, চোখে চোখ রাখা
  • হাঁটার ভঙ্গি ৯২% মানুষের মতো স্বাভাবিক

🔹 প্রয়োগ ক্ষেত্র
মায়া মূলত স্বাস্থ্যসেবা, প্রবীণদের যত্ন, শিক্ষা এবং বাণিজ্যিক স্থানগুলোতে ব্যবহারের জন্য তৈরি। এটি শিল্পকারখানার ভারী কাজের জন্য নয়, বরং দীর্ঘ আলাপচারিতা ও সামাজিক যোগাযোগের জন্য উপযোগী।

🔹 বাজারে আসছে শীঘ্রই
২০২৬ সালের শেষের দিকে বাজারে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রাথমিক মূল্য প্রায় ¥১.২ মিলিয়ন।

🔹 ভবিষ্যতের প্রভাব

  • মানুষের মতো বাস্তবসম্মত রূপ দিয়ে “uncanny valley” চ্যালেঞ্জ করছে।
  • মানব-রোবট সম্পর্ক, নৈতিকতা ও সামাজিক সংহতি নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলছে।
  • সেবা খাত ও স্বাস্থ্যসেবায় বিপ্লব ঘটাতে পারে।
  • চীনের উন্নত রোবোটিক্সে নেতৃত্বকে আরও সুদৃঢ় করছে।

👉 আপনার মতামত কী — আমরা কি প্রস্তুত এমন রোবটকে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হিসেবে গ্রহণ করতে?