মায়া: বিশ্বের প্রথম জীবন্ত-সদৃশ মানবাকৃতি রোবট

11th February 2026 10:10 am দেশ ও বিদেশ
মায়া: বিশ্বের প্রথম জীবন্ত-সদৃশ মানবাকৃতি রোবট


মায়া: বিশ্বের প্রথম জীবন্ত-সদৃশ মানবাকৃতি রোবট

চীনে সম্প্রতি উন্মোচিত হয়েছে মায়া, একটি মানবাকৃতি রোবট যা মানুষের মতো হাঁটে, চোখ টিপে হাসে এবং সূক্ষ্ম অভিব্যক্তি প্রকাশ করতে পারে। সাংহাই-ভিত্তিক কোম্পানি DroidUp এটি তৈরি করেছে এবং একে বলা হচ্ছে বিশ্বের প্রথম সম্পূর্ণ বায়োমিমেটিক embodied intelligent robot।

🔹 মানব-সদৃশ নকশা

  • উচ্চতা: ১.৬৫ মিটার | ওজন: ৩২ কেজি
  • উন্নত Walker 3 chassis-এর উপর নির্মিত
  • হালকা lattice “muscles” এবং কাস্টমাইজযোগ্য বাহ্যিক রূপ
  • শরীরের তাপমাত্রা ৩২–৩৬°C বজায় রাখতে সক্ষম
  • সূক্ষ্ম মুখাবয়বের অভিব্যক্তি যেমন হাসি, চোখ টেপা, মাথা নাড়া, চোখে চোখ রাখা
  • হাঁটার ভঙ্গি ৯২% মানুষের মতো স্বাভাবিক

🔹 প্রয়োগ ক্ষেত্র
মায়া মূলত স্বাস্থ্যসেবা, প্রবীণদের যত্ন, শিক্ষা এবং বাণিজ্যিক স্থানগুলোতে ব্যবহারের জন্য তৈরি। এটি শিল্পকারখানার ভারী কাজের জন্য নয়, বরং দীর্ঘ আলাপচারিতা ও সামাজিক যোগাযোগের জন্য উপযোগী।

🔹 বাজারে আসছে শীঘ্রই
২০২৬ সালের শেষের দিকে বাজারে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রাথমিক মূল্য প্রায় ¥১.২ মিলিয়ন।

🔹 ভবিষ্যতের প্রভাব

  • মানুষের মতো বাস্তবসম্মত রূপ দিয়ে “uncanny valley” চ্যালেঞ্জ করছে।
  • মানব-রোবট সম্পর্ক, নৈতিকতা ও সামাজিক সংহতি নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলছে।
  • সেবা খাত ও স্বাস্থ্যসেবায় বিপ্লব ঘটাতে পারে।
  • চীনের উন্নত রোবোটিক্সে নেতৃত্বকে আরও সুদৃঢ় করছে।

👉 আপনার মতামত কী — আমরা কি প্রস্তুত এমন রোবটকে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হিসেবে গ্রহণ করতে?

 





Others News

মায়া: বিশ্বের প্রথম জীবন্ত-সদৃশ মানবাকৃতি রোবট

মায়া: বিশ্বের প্রথম জীবন্ত-সদৃশ মানবাকৃতি রোবট


মায়া: বিশ্বের প্রথম জীবন্ত-সদৃশ মানবাকৃতি রোবট

চীনে সম্প্রতি উন্মোচিত হয়েছে মায়া, একটি মানবাকৃতি রোবট যা মানুষের মতো হাঁটে, চোখ টিপে হাসে এবং সূক্ষ্ম অভিব্যক্তি প্রকাশ করতে পারে। সাংহাই-ভিত্তিক কোম্পানি DroidUp এটি তৈরি করেছে এবং একে বলা হচ্ছে বিশ্বের প্রথম সম্পূর্ণ বায়োমিমেটিক embodied intelligent robot।

🔹 মানব-সদৃশ নকশা

  • উচ্চতা: ১.৬৫ মিটার | ওজন: ৩২ কেজি
  • উন্নত Walker 3 chassis-এর উপর নির্মিত
  • হালকা lattice “muscles” এবং কাস্টমাইজযোগ্য বাহ্যিক রূপ
  • শরীরের তাপমাত্রা ৩২–৩৬°C বজায় রাখতে সক্ষম
  • সূক্ষ্ম মুখাবয়বের অভিব্যক্তি যেমন হাসি, চোখ টেপা, মাথা নাড়া, চোখে চোখ রাখা
  • হাঁটার ভঙ্গি ৯২% মানুষের মতো স্বাভাবিক

🔹 প্রয়োগ ক্ষেত্র
মায়া মূলত স্বাস্থ্যসেবা, প্রবীণদের যত্ন, শিক্ষা এবং বাণিজ্যিক স্থানগুলোতে ব্যবহারের জন্য তৈরি। এটি শিল্পকারখানার ভারী কাজের জন্য নয়, বরং দীর্ঘ আলাপচারিতা ও সামাজিক যোগাযোগের জন্য উপযোগী।

🔹 বাজারে আসছে শীঘ্রই
২০২৬ সালের শেষের দিকে বাজারে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রাথমিক মূল্য প্রায় ¥১.২ মিলিয়ন।

🔹 ভবিষ্যতের প্রভাব

  • মানুষের মতো বাস্তবসম্মত রূপ দিয়ে “uncanny valley” চ্যালেঞ্জ করছে।
  • মানব-রোবট সম্পর্ক, নৈতিকতা ও সামাজিক সংহতি নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলছে।
  • সেবা খাত ও স্বাস্থ্যসেবায় বিপ্লব ঘটাতে পারে।
  • চীনের উন্নত রোবোটিক্সে নেতৃত্বকে আরও সুদৃঢ় করছে।

👉 আপনার মতামত কী — আমরা কি প্রস্তুত এমন রোবটকে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হিসেবে গ্রহণ করতে?