জোড়া অগ্নিকাণ্ডে বিধ্বস্ত দিল্লি

27th May 2020 7:49 am দেশ ও বিদেশ
জোড়া অগ্নিকাণ্ডে বিধ্বস্ত দিল্লি


জোড়া অগ্নিকাণ্ডে বিধ্বস্ত দিল্লি, বসতির ১৫০০ ঘর পুড়ে ছাই, দাউদাউ করে জ্বলছে জুতোর কারখানাও

করোনা আবহেই এবার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রাজধানী দিল্লিতে ছড়াল তীব্র আতঙ্ক। একটা নয়, দিল্লির দুই জায়গায় পরপর আগুন লাগে। প্রথমে দক্ষিণ-পূর্ব দিল্লির তুঘলাকাবাদ এলাকার বসতিতের ছড়িয়ে পড়ে আগুনের লেলিহান শিখা। আর তারপরই কেশবপুরম এলাকার একটি জুতোর কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা সামনে
আসলো। 
সোমবার রাতে ওই বসতিতে আগুন লেগেছে বুঝতে পেরেই স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। সে সময় বেশিরভাগ লোকই গভীর ঘুমে ছিলেন। আগুন লেগেছে বুঝেই হুড়মুড়িয়ে উঠে ঘর ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন। এরপর দমকলবাহিনীর কাছে পৌঁছায় রাত ১টা নাগাদ। ঘটনাস্থলে প্রথমে ২০টি ইঞ্জিন গিয়ে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। শেষমেশ ৩০টি ইঞ্জিন দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় সেই ভয়ংকর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সফল হয়েছে বলে জানান দক্ষিণ দিল্লি জোনের দমকলের ডেপুটি প্রধান এসএস তুলি। তিনি বলেন, “আপাতত আগুন নিয়ন্ত্রণে। যদিও ঠিক কীভাবে আগুন লাগল, সে এখনও স্পষ্ট নয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে হবে। তবে হতাহতের কোনও খবর নেই।”

বসতিবাসীরা প্রাণে বেঁচে গেলেও আগুনে বিস্তর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেই জানা যাচ্ছে। আগুনের গ্রাসে চলে গিয়েছে প্রায় দেড় হাজার ঝুপড়ি। ফলে বহু মানুষ ঘরছাড়া হয়ে পড়েছেন।





Others News

মায়া: বিশ্বের প্রথম জীবন্ত-সদৃশ মানবাকৃতি রোবট

মায়া: বিশ্বের প্রথম জীবন্ত-সদৃশ মানবাকৃতি রোবট


মায়া: বিশ্বের প্রথম জীবন্ত-সদৃশ মানবাকৃতি রোবট

চীনে সম্প্রতি উন্মোচিত হয়েছে মায়া, একটি মানবাকৃতি রোবট যা মানুষের মতো হাঁটে, চোখ টিপে হাসে এবং সূক্ষ্ম অভিব্যক্তি প্রকাশ করতে পারে। সাংহাই-ভিত্তিক কোম্পানি DroidUp এটি তৈরি করেছে এবং একে বলা হচ্ছে বিশ্বের প্রথম সম্পূর্ণ বায়োমিমেটিক embodied intelligent robot।

🔹 মানব-সদৃশ নকশা

  • উচ্চতা: ১.৬৫ মিটার | ওজন: ৩২ কেজি
  • উন্নত Walker 3 chassis-এর উপর নির্মিত
  • হালকা lattice “muscles” এবং কাস্টমাইজযোগ্য বাহ্যিক রূপ
  • শরীরের তাপমাত্রা ৩২–৩৬°C বজায় রাখতে সক্ষম
  • সূক্ষ্ম মুখাবয়বের অভিব্যক্তি যেমন হাসি, চোখ টেপা, মাথা নাড়া, চোখে চোখ রাখা
  • হাঁটার ভঙ্গি ৯২% মানুষের মতো স্বাভাবিক

🔹 প্রয়োগ ক্ষেত্র
মায়া মূলত স্বাস্থ্যসেবা, প্রবীণদের যত্ন, শিক্ষা এবং বাণিজ্যিক স্থানগুলোতে ব্যবহারের জন্য তৈরি। এটি শিল্পকারখানার ভারী কাজের জন্য নয়, বরং দীর্ঘ আলাপচারিতা ও সামাজিক যোগাযোগের জন্য উপযোগী।

🔹 বাজারে আসছে শীঘ্রই
২০২৬ সালের শেষের দিকে বাজারে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রাথমিক মূল্য প্রায় ¥১.২ মিলিয়ন।

🔹 ভবিষ্যতের প্রভাব

  • মানুষের মতো বাস্তবসম্মত রূপ দিয়ে “uncanny valley” চ্যালেঞ্জ করছে।
  • মানব-রোবট সম্পর্ক, নৈতিকতা ও সামাজিক সংহতি নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলছে।
  • সেবা খাত ও স্বাস্থ্যসেবায় বিপ্লব ঘটাতে পারে।
  • চীনের উন্নত রোবোটিক্সে নেতৃত্বকে আরও সুদৃঢ় করছে।

👉 আপনার মতামত কী — আমরা কি প্রস্তুত এমন রোবটকে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হিসেবে গ্রহণ করতে?